রেললাইনে মুঠোফোনে কথা বলছিলেন, ট্রেনে কাটা পড়ে কলেজছাত্রের মৃত্যু

প্রতীকী ছবি

নরসিংদী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান রিফাত (২২) ট্রেনে কাটা পড়ে মারা গেছেন। আজ সোমবার দুপুরে সদর উপজেলার হাজীপুর পুরানপাড়া রেলসেতু এলাকা থেকে খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

মৃত মেহেদী হাসান কলেজের বাংলা বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি ময়মনসিংহর নান্দাইলের চণ্ডীপাশার রফিকুল ইসলামের ছেলে। বাবার কর্মসূত্রে গাজীপুরের কালীগঞ্জ থেকে আসা-যাওয়া করে নরসিংদী সরকারি কলেজে পড়াশোনা করতেন তিনি।

রেলওয়ে পুলিশ, নিহতের স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, গতকাল রাতে নরসিংদী সরকারী কলেজের ছাত্রাবাসে ছিলেন মেহেদী হাসান। আজ সকালে ছাত্রাবাস থেকে বের হয়ে পুরানপাড়া রেলসেতু এলাকায় হাঁটতে যান। দুপুর ১২টার দিকে রেললাইন ধরে ফেরার পথে ঢাকাগামী আন্তনগর চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়েন তিনি। এ সময় তাকে ৫০ গজ দূরত্বে টেনে নেয় ট্রেনটি। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন ঘটনাটি নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে জানান। ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁর খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করেন রেলওয়ে ফাঁড়ির উপপরিদর্শক দিলীপ চন্দ্র সরকার। তাঁর পকেটে থাকা পরিচয়পত্র এবং পাশে পড়ে থাকা ভাঙা মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়। ওই সিম অন্য মুঠোফোনে ভরে স্বজনদের খবর জানানো হয়। পরে বিকেলে পরিবারের সদস্যরা ফাঁড়িতে এসে লাশ শনাক্ত করেন। পরে তাঁদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তর করে রেলওয়ে পুলিশ।

নরসিংদী রেলওয়ে ফাঁড়ির উপপরিদর্শক দিলীপ চন্দ্র সরকার বলেন, তিনি রেললাইনে হাঁটার সময় মুঠোফোনে কারও সঙ্গে কথা বলছিলেন। চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে তাঁর শরীর চার টুকরো হয়ে যায়। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তর করা হয়।