সরেজমিনে দেখা গেছে, জুমার নামাজের পর কর্মী-সমর্থকদের আনাগোনা বাড়তে থাকে। সমাবেশস্থলে নেতা-কর্মীদের থাকার জন্য বানানো হয়েছে ‘ক্যাম্প’। সমাবেশস্থলের মাঠজুড়ে অন্তত ২০টি ক্যাম্পে রান্নাবান্নার কাজ চলছে। বেলা দুইটার দিকে সিলেটের কানাইঘাট থেকে বিএনপির একজন নেতার নামে স্লোগান দিয়ে সমাবেশস্থলে ঢোকেন শতাধিক নেতা-কর্মী। এর কিছু আগে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ থেকে একটি দলকে সমাবেশের মাঠে ঢুকতে দেখা যায়।

কমলগঞ্জ থেকে আসা যুবদল নেতা ইউসুফ আলী বলেন, নেতা-কর্মীরা অনেকেই অনেকভাবে এসেছেন। পরে সিলেটে এসে জড়ো হয়েছেন তাঁরা। কমলগঞ্জ থেকে আসা নেতা-কর্মীরা এখন সমাবেশস্থলে তাঁদের নির্দিষ্ট ক্যাম্পে যাচ্ছেন। সেখানেই খাওয়াদাওয়ার আয়োজন করা হয়েছে।

কানাইঘাট থেকে আসা ছাত্রদল কর্মী নাসির উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, কানাইঘাট থেকে বেলা ১১টার দিকে বাসে করে নেতা-কর্মীদের নিয়ে এসেছেন। বেলা একটার দিকে সিলেট নগরের সোবহানীঘাট এলাকায় পৌঁছান। সেখান থেকে জুমার নামাজ শেষে মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে এসেছেন। রাতে সমাবেশস্থলে থেকে কাল সমাবেশ শেষ করেই বাড়িতে ফিরবেন। তিনি বলেন, আগামীকাল শনিবার পরিবহন ধর্মঘট থাকায় আগেভাগেই সমাবেশে চলে এসেছেন।