প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, আগে বিদ্যালয়ে আটজন শিক্ষার্থী ছিল। জানুয়ারিতে ১২ জন ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে বিদ্যালয় শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২০ জন। এখন শিক্ষক বাড়ল, শিক্ষার্থীও বাড়বে। এ বিদ্যালয়ে শিক্ষকের পদ পাঁচটি। এখনো দুটি ফাঁকা থাকল।

বিদ্যালয় সূত্র জানায়, প্রায় এক একর জমির ওপর ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টি ৭ বছর ধরে একজন শিক্ষক দিয়ে চলছে। তিনি প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম। জেলা শহর থেকে প্রায় ৩৮ কিলোমিটার দূরে কিশোরগাড়ি ইউনিয়নের তেকানি গ্রাম। গ্রামের তিন দিকে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা। তেকানি বিদ্যালয়ের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে করতোয়া নদী। নদী পার হয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হয়।

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, নতুন শিক্ষকেরা একই এলাকার বাসিন্দা। আগের মতো বদলি হয়ে যাবেন না। এখন বিদ্যালয়টিতে অভিভাবকেরা শিক্ষার্থী দেবেন। তাঁরাও বিদ্যালয়টিতে সুন্দরভাবে পাঠদানের চেষ্টা করবেন।