মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ২২ জুন সন্ধ্যায় শিশুটি প্রতিবেশী এক ব্যক্তির বাগানে আম কুড়াতে যায়। সন্ধ্যা পেরিয়ে রাতেও শিশুটি ঘরে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। চার দিন পর ২৬ জুন সন্ধ্যায় তাঁরা জানতে পারেন পাশের গ্রামের একটি বাগানে একটি পঁচাগলা লাশ পড়ে আছে। পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির পোশাক দেখে লাশটি শনাক্ত করেন। ওই ঘটনায় চৌগাছা থানায় ধর্ষণের পরে হত্যার অভিযোগে একটি মামলা হয়। মামলায় আটক তজিবর রহমান বাদীর সামনে পুলিশের কাছে ধর্ষণের পর হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেন। মামলার তদন্ত শেষে তজিবর রহমানকে অভিযুক্ত করে ওই বছরের ৬ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।

যশোর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ কৌঁসুলি মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, মামলায় ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামি তজিবর রহমানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাঁকে মৃত্যুদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন