‘গ্যাসলাইনের ছিদ্র থেকে’ আগুন লেগে দগ্ধ মা-মেয়ে

আগুন
প্রতীকী ছবি

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা এলাকায় এক বাড়িতে লাইনের ছিদ্র থেকে বের হওয়া গ্যাস জমে তা থেকে লাগা আগুনে দগ্ধ হয়েছেন মা ও মেয়ে। গত শনিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে লালপুর আলামিনবাগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

দগ্ধ মা-মেয়ে হলেন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার কইজুরী গ্রামের অটোরিকশাচালক মনির হোসেনের স্ত্রী নারগিস আক্তার (২৬) ও তাঁদের চার বছরের মেয়ে মরিয়ম।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁদের রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, শনিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে লালপুর আলামিনবাগ এলাকার সারোয়ার জাহানের বাড়ির ভাড়াটে মনির হোসেনের ঘরে আগুন ধরে যায়। এতে ঘরের ভেতরে থাকা নার্গিস আক্তার ও তাঁর মেয়ে মরিয়ম দগ্ধ হন। স্বজনসহ প্রতিবেশীরা তাঁদের উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাঁদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ফতুল্লা স্টেশনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আলম হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, আগুন লাগার খবর পেয়ে ওই বাড়িতে গিয়ে দেখেন, লোকজন আগুন নিভিয়ে ফেলেছেন এবং দগ্ধ দুজনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

দগ্ধ নার্গিস আক্তারের স্বামী মনির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, অটোরিকশা চালাতে বের হয়ে রাতে বাসার বাইরে ছিলেন। খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ছুটে যান। তাঁর স্ত্রী নার্গিস আক্তারের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

প্রতিবেশীরা বলেন, রাতে দেশলাইয়ের কাঠি জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে মনির হোসেনের ঘরের ভেতরে আগুন ধরে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, রান্নাঘরে গ্যাসের লাইন ছিদ্র হয়ে ঘরের ভেতরে গ্যাস জমে ছিল।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক এস এম আইউব হোসেন বলেন, আগুনে নার্গিস আক্তারের শরীরের ৭০ শতাংশ ও তাঁর মেয়ে মরিয়মের শরীরের ৫৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। দুজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক।