শেখ ফজলে শামস বলেন, জনগণের মধ্যে কোনো আবেদন তৈরি করতে না পেরে ভিত্তিহীন সব ইস্যু নিয়ে বিএনপি কর্মসূচি করে বেড়াচ্ছে। জনগণের স্বার্থে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ না করে বিএনপি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের পাঁয়তারা করছে। ষড়যন্ত্র ও মিথ্যাচার ছাড়া বিএনপির কোনো রাজনৈতিক ভিত্তি নেই।

২৪ নভেম্বরের সমাবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে শেখ ফজলে শামস বলেন, সমাবেশ সফল করতে যুবলীগের সব পর্যায়ের নেতা–কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। সমাবেশস্থল যশোর স্টেডিয়ামকে জনসমুদ্রে পরিণত করতে হবে।

এ সময় অনুষ্ঠানে যশোর, খুলনা, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, নড়াইল, মাগুরা, বাগেরহাটসহ খুলনা বিভাগের সাত জেলা যুবলীগের নেতা-কর্মীদের সমাবেশের দিন হলুদ রঙের ক্যাপ পরে যশোর স্টেডিয়ামে সকাল ১০টার মধ্যে যোগ দেওয়ার নির্দেশনা দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক। বক্তব্য দেন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুব্রত পাল, সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আল সাইফুল, প্রেসিডিয়াম সদস্য আনোয়ার হোসেন, প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী, যশোর জেলা যুবলীগের সভাপতি মোস্তফা ফরিদ আহমেদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম চাকলাদার প্রমুখ।

পাঁচ বছর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভাকে কেন্দ্র করে যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতারা বর্তমানে যশোরে অবস্থান করছেন। এতে ১৫ বছরের বেশি মেয়াদোত্তীর্ণ যশোর জেলা যুবলীগের নেতা-কর্মী ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের মধ্যে চাঙাভাব ফিরে এসেছে।