মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০০৭ সালের ১১ জুন রাতে কুমারখালী উপজেলার মাঝগ্রাম এলাকার ধানখেতে সেচ দেওয়ার জন্য যাচ্ছিলেন কৃষক রেজাউল, তাঁর দুই মামা আফিল উদ্দিন ও জামাল উদ্দিন। মাঠের মধ্যে কয়েকজন রেজাউলকে ঘিরে ধরেন। এ সময় তাঁকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যান তাঁরা। সেখান থেকে রেজাউলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় রেজাউলের মামা আফিল উদ্দিন ১২ জুন কুমারখালী থানায় আটজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা তিন–চারজনকে আসামি করে কুমারখালী থানায় হত্যা মামলা করেন। ২০০৮ সালের ৭ জানুয়ারি আদালতে ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন কুমারখালী থানা-পুলিশের তৎকালীন উপপরিদর্শক সামসুল আলম সিদ্দিকী। মামলার তদন্তে গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্বের জেরে পরিকল্পিতভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা কৃষক রেজাউল উদ্দিনকে কুপিয়ে হত্যা করার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি অনুপ কুমার নন্দী বলেন, কৃষক রেজাউল হত্যা মামলায় পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তিনজন পলাতক থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সাত আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।