মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরপুর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক মিথুন সরকার জানান, ধর্ষণের শিকার ওই নারী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা। গত রোববার রাত ১০টার দিকে আসামি মিরাজুল ওই গৃহবধূর স্বামীকে গ্রামের অন্যত্র নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে কৌশলে বসিয়ে রেখে গোপনে ওই নারীর ঘরে প্রবেশ করেন। এরপর তাঁকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় গতকাল রাতে মামলার পর আজ বৃহস্পতিবার ওই নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেপ্তারের পর মিরাজুল ইসলাম পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন। আদালতের মাধ্যমে তাঁকে আজ বগুড়ার কারাগারে পাঠানো হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন