উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত ওই ছাত্রীর বিয়ে দে‌বেন না—এই মর্মে ওই ছাত্রীর মা ও বাবা মুচলেকা দিয়েছেন। তাঁরা যদি এই অঙ্গীকার ভঙ্গ ক‌রেন, তাহলে বাংলাদেশের ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। এ সময় সেখানে আরও উপ‌স্থিত ছি‌লেন স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর জুল‌ফিকার আলী ও কোতোয়ালী থানার পু‌লিশ সদস্যরা।

ওই ছাত্রীর বাবা ব‌লেন, ‘নি‌জের ভুল বুঝ‌তে পে‌রে‌ছি। ইউএনও স্যার আমা‌দের‌কে বু‌ঝি‌য়ে‌ছেন। মে‌য়ের পড়াশোনা চা‌লি‌য়ে যে‌তে ব‌লে‌ছেন। পড়া‌শোনার বিষ‌য়ে সহ‌যো‌গিতা করার আশ্বাসও দি‌য়ে‌ছেন। ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত মে‌য়ে‌কে বি‌য়ে দে‌ব না।’

ইউএনও মর্তুজা আল মুঈদ ব‌লেন, স্থানীয় সূ‌ত্রে গতকাল রাতে খবর পাওয়া যায়, পৌর শহরে এক‌টি বাল্যবিবাহের আয়োজন চলছে। পরে ঘটনাস্থ‌লে উপ‌স্থিত হ‌য়ে বিষয়‌টির সত্যতা পাওয়া যায়। মূলত গায়েহলু‌দের আ‌য়োজন হ‌লেও বর ও কনেপক্ষের উদ্দেশ্য ছিল তাঁরা কৌশলে বি‌য়ে সম্পন্ন ক‌রবেন। তবে থানা–পুলিশ ও জনপ্রতিনিধির সহায়তায় বিয়ের আ‌য়োজন বন্ধ করা হ‌য়ে‌ছে। ওই ছাত্রীর মা–বাবা লি‌খিত অঙ্গীকারনামা দিয়েছেন। আজ বরপক্ষের লোকজনকেও দেখা করার জন্য বলা হ‌য়ে‌ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন