গত ২৭ অক্টোবর সিলেটের সাইবার ট্রাইব্যুনালে অভিযোগটি করেন সিলেট জেলা সিএনজিচালিত অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. জাকারিয়া। পরে গতকাল সোমবার অভিযোগের শুনানি হয়। শুনানিতে বিচারক অভিযোগটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) সিলেটকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

এর আগে গত ৫ অক্টোবর শ্রমিকনেতা মো. জাকারিয়ার নানা কর্মকাণ্ড নিয়ে দৈনিক একাত্তরের কথায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।

অভিযোগে পরিবহনশ্রমিকনেতা উল্লেখ করেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের নবগঠিত ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের তিনি সম্ভাব্য কাউন্সিলর পদপ্রার্থী। তাঁর সম্মান নষ্ট করে নির্বাচন থেকে বিরত রাখার জন্য অভিযুক্তরা এমন খবর প্রকাশ করেছেন। প্রকাশক নজরুল ইসলাম বাবুলের পত্রিকায় খবরটি প্রকাশের পর সেই খবর সাঈদ চৌধুরী, মঈন উদ্দিন ও মিঠু দাস তাঁদের ফেসবুকে পোস্ট করেন। এতে জাকারিয়া ও তাঁর পরিবারের সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে, তাঁরা মানসিকভাবে কষ্ট পাচ্ছেন।

দৈনিক একাত্তরের কথা পত্রিকার উপসম্পাদক মঈন উদ্দিন বলেন, সিলেটের পরিবহন খাত নিয়ে পত্রিকায় সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর জাকারিয়া নামের এক শ্রমিকনেতা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অভিযোগ করেছেন। তাঁরা আইনিভাবে বিষয়টি মোকাবিলা করবেন।

মামলার বিষয়ে কথা বলতে শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা মো. জাকারিয়ার ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি ধরেননি।

এ ব্যাপারে সিলেটে সিআইডির পুলিশ সুপার সুজ্ঞান চাকমা প্রথম আলোকে বলেন, সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারলেও আদালত থেকে কোনো নির্দেশনা আসেনি। নির্দেশনার নথি পাওয়া গেলে তাঁরা পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন।