টাকাও নেবেন, উপহারও নেবেন, কিন্তু ভোটটা দেবেন হাঁস মার্কায়: রুমিন ফারহানা

নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা। আজ সোমবার বিকেলে সরাইল উপজেলার শাহজাদাপুর ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামেছবি: প্রথম আলো

‘আমার কানে অনেক রকম খবর আসছে। মাঠে কালোটাকা ছড়ানো হয়েছে। বিভিন্ন ভোটারের বাড়ি বাড়ি গিয়ে টাকা, উপহার দেওয়া হচ্ছে। আমার অনুরোধ থাকবে, টাকাও নেবেন, উপহারটাও নেবেন, কিন্তু ভোটটা দেবেন হাঁস মার্কায়। কারণ, যারা টাকা দিয়ে ভোট কেনে, তারা ওই টাকা আপনার পকেট থেকে মেরে খাবে। যারা আপনার দরজায় আজকে উপহার নিয়ে আসছে, নির্বাচিত হওয়ার পর তাদেরকে খুঁইজাও পাবেন না। সেই জন্য আমার অনুরোধ থাকবে, তারা যেহেতু পাপের টাকা ছড়াচ্ছে, ছড়াইতে দেন। টাকা দিলে টাকা নিবেন কিন্তু ভোটটা কোনো বাটপাড়কে দিবেন না।’

আজ সোমবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের আংশিক) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা সরাইল উপজেলার শাহজাদাপুর ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামে তাঁর নির্বাচনী জনসভায় এ কথাগুলো বলেন।

হাঁস মার্কায় ভোট দিলে সাধারণ মানুষের জীবনে শান্তি আসবে উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘হাঁস মার্কা আপনার এলাকার সন্তানের মার্কা। হাঁস মার্কা আপনাদের কারও বোন, কারও ভাতিজির মার্কা। হাঁস মার্কা আগামীতে সরাইল-আশুগঞ্জকে উন্নয়নের রোল মডেল করার মার্কা। হাঁস মার্কা আপনাদের সরাইল-আশুগঞ্জে চিরতরে চান্দাবাজি, ধান্দাবাজি, মামলাবাজি, ব্যবসা দখল, জমি দখল, অবৈধ বালুর ব্যবসা, মাটির ব্যবসা বন্ধ করার মার্কা।’

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমি কোনো দলের প্রার্থী না, আমি আপনাদের প্রার্থী। আমি কোনো দল চিনি না, দলের লোক চিনি না। আমার কাছে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পার্টিসহ অন্য আরও যে রাজনৈতিক দলই হোক, যেইটা ইনসাফ, যেইটা ন্যায্য, যেইটা আইনত, আমি এমপি হলে সেইটাই করব। বিনা অপরাধে কারও নামে যদি মামলা থাকে, জামিন করানো, মামলা থেকে নাম বাদ দেওয়া—এইটা আমার দায়িত্ব হবে।’