চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে বিএনপির প্রার্থী পরিচয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন দলের দক্ষিণ জেলা শাখার জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আব্বাস। তবে মনোনয়নপত্রে নিজেই হয়েছেন নিজের প্রস্তাবকারী। ফলে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।
আজ রোববার সকালে যাচাই-বাছাই শেষে আলী আব্বাসের মনোনয়নপত্রটি বাতিল করেন এ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, আলী আব্বাস নিজেই নিজের প্রস্তাবকারী হয়েছেন। এ ছাড়া বিএনপির প্রার্থী বলা হলেও এর সপক্ষে রাজনৈতিক দলের মনোনয়নপত্র জমা দেননি। তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তিনি চাইলে আপিল করতে পারবেন।
আসনটিতে মোট ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে ৭ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে। তাঁরা হলেন বিএনপির প্রার্থী সরওয়ার জামাল নিজাম, জামায়াতে ইসলামীর মাহমুদুল হাসান, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মোহাম্মদ এমরান, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এস এম শাহজাহান, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মু. রেজাউল মোস্তফা, খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ ইমরান ও জাতীয় পার্টির আবদুর রব চৌধুরী।
চট্টগ্রাম-১৩ আসনে আলী আব্বাস ছাড়া বাতিল হয়েছে গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমানের মনোনয়নপত্র। ঋণখেলাপি হওয়ায় তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের মধ্যে ১৫টি আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা হচ্ছেন বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। অন্য আসনটিতে রয়েছেন আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী।
নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। গত ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল। মনোনয়নপত্র বাছাই ৩০ ডিসেম্বর শুরু হয়েছে। চলবে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে পরদিন ২১ জানুয়ারি। ২২ জানুয়ারি প্রচারণা শুরু করতে পারবেন প্রার্থীরা; চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত।