পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খেজুরতলার বাসা থেকে সকালে বিদ্যালয়ে যায় তুর্য্য ভট্টাচার্য্য। শিমুলতলা এলাকায় বিদ্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে সে বিক্রয়কর্মী আকাশের সঙ্গে কথা বলছিল। এ সময় বরিশাল থেকে আসা পটুয়াখালীগামী দ্রুতগতির আল–আমিন পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস তাঁদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন মারা যান। এ ঘটনার পরপরই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী আঞ্চলিক মহাসড়কটি অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন। নলছিটি থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়ে এক ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক করে।

নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মু. আতাউর রহমান বলেন, স্কুলছাত্র নিহতের ঘটনায় তার সহপাঠীরা সড়ক অবরোধ করে রেখেছিল, তাদের সরিয়ে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে।