জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (এডি) মাহফুজুর রহমান বলেন, প্রসবব্যথা নিয়ে ওই গৃহবধূ প্রসূতি ওয়ার্ডে ভর্তি হন। অস্ত্রোপচার ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে একসঙ্গে চার সন্তানের জন্ম দেন। পরে ছেলেসন্তানটি মারা যায়। বর্তমানে মা ও তিন নবজাতক মেয়ে সুস্থ আছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালে পারিবারিকভাবে মোহাম্মদ সাজু মিয়া ও দোলেনা খাতুনের বিয়ে হয়। সাজু পেশায় কৃষক। দোলেনা গৃহিণী। বিয়ের দেড় বছরের মাথায় একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন দোলেনা। এর দুই বছর পর আরও একটি কন্যাসন্তান হয়। ২০১৮ সালের মধ্যে আরও তিনটি সন্তান আসে তাঁদের ঘরে। এই তিন সন্তানের মধ্যে একটি মেয়ে ও দুটি ছেলে। ছেলে দুটি সবার ছোট। তিন মেয়ের মধ্যে দুজনের বিয়ে হয়েছে। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে অস্ত্রোপচার ছাড়াই একসঙ্গে তিন মেয়ে ও এক ছেলেসন্তানের জন্ম দেন।

নবজাতকদের বাবা সাজু মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা খুব গরিব মানুষ। দিন আনি দিন খাই। এলাকায় এখন তেমন কোনো কাজকর্ম নেই। আগের পাঁচটি সন্তান আছে, আরও তিন সন্তান হলো। এত বড় সংসার এখন চালাব ক্যামনে? নতুন তিন সন্তানকে বাঁচিয়ে রাখতে দুধ ও চিকিৎসার ব্যয় মেটানোর মতো অবস্থা আমার নাই। তাই খুশির বদলে মাথায় চিন্তা ঢুকছে।’