বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৬ জুলাই মহসীন খন্দকার ফেসবুকের নিজ আইডি থেকে লাইভে এসে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য দিয়ে সংগঠনের ভাবমূর্তি নষ্ট ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক রাষ্ট্র ও সমাজবিরোধী মামলা থাকায় তাঁকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতির কার্যালয়ে জেলা ও সদর যুবলীগের যৌথসভা হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জেলা যুবলীগের সভাপতি শাহনূর ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামের যুক্ত বিবৃতিতে মহসিন খন্দকারকে দল এবং যুবলীগ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

মহসিন খন্দকারকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রে প্রস্তাব পাঠানো হবে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মহসিন খন্দকার এখন থেকে যুবলীগের কেউ নন। তাঁর কোনো অপকর্মের দায়দায়িত্ব যুবলীগ বহন করে না।

জানতে চাইলে মহসিন খন্দকার প্রথম আলোকে বলেন, ‘সিলেটে বন্যা শুরু হওয়ার পর শহরের মধ্যপাড়ায় আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব আলমের বাড়িতে যুবলীগের সভা হয়। সেখানে বন্যার্তদের ত্রাণ বিতরণের জন্য উপস্থিত নেতাকর্মীদের কাছে সহায়তা চাওয়া হয়। আমাকে ১০ হাজার টাকা দিতে বলা হয়। তবে আমি ৫ হাজার টাকা দিয়েছি। কিন্তু টাকা নেওয়ার পরও ত্রাণসামগ্রী দেওয়া হয়নি। এদিকে সিলেটে বন্যার পানিও কমে আসে। এমন অবস্থায় আমি সুহিলপুর ইউনিয়নের কিছু এলাকায় বন্যাকবলিত মানুষদের ত্রাণসামগ্রী দিতে বলি। প্রয়োজনে আমি আরও ১৫-২০ হাজার টাকা দিতে চাই। কিন্তু তাঁরা ত্রাণসামগ্রী বিতরণ না করে সদর মাছিহাতা ইউনিয়নের সম্মেলনের দিন পদ্মা সেতু দেখতে যান।’

ফেসবুক লাইভে এসে মহসিন খন্দকার মিথ্যাচার করেছেন মন্তব্য করে জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন, মহসিন খন্দকারের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ রয়েছে। তাই তাঁকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

জেলা আওয়ামী লীগের সংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব আলমের ব্যক্তিগত টাকায় যুবলীগের নেতাকর্মীরা পদ্মা সেতু ভ্রমণে গিয়েছেন উল্লেখ করে সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘বন্যার্তদের জন্য মহসিন খন্দকার পাঁচ হাজার টাকা দিয়েছেন। ওই টাকা তাঁকে ফেরত দিতেও চেয়েছিলাম।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন