ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অস্ত্র মামলায় মাদক ব্যবসায়ীকে ১০ বছরের কারাদণ্ড
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কসবা উপজেলার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী জুয়েল মিয়াকে (৩০) অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শারমিন নিগার এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে ৭ আগস্ট মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় তাঁকে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন আরেক আদালত। জুয়েল মিয়া কসবা উপজেলার কাইমপুর ইউনিয়নের উত্তর চকবস্তার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি কারাগারে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, জুয়েল হত্যাসহ ১৫টি মামলার আসামি। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় তিনি দীর্ঘ দিন পালিয়ে ছিলেন। চলতি বছরের ১১ জুন কুমিল্লার কান্দিরপাড় এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে নিয়ে কসবায় বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। তখন জুয়েলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ি থেকে দুটি গুলিসহ একটি রিভলবার ও ৬০০টি ইয়াবা বড়ি জব্দ করে র্যাব। পরের দিন র্যাবের উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল মান্নান বাদী হয়ে কসবা থানায় মাদক ও অস্ত্র আইনে পৃথক দুটি মামলা করেন। পরে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে মামলা দুটি হস্তান্তর করা হয়। মামলা দুটি তদন্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় ডিবি। সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে অস্ত্র মামলার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আজ জুয়েলকে সাজা দেওয়া হয়। এর আগে ৭ আগস্ট জুয়েলকে মাদকের মামলায় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ পারভেজ চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজাদ রকিব আহাম্মদ প্রথম আলোকে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে বিচারকাজ শেষ কয়ে রায় দিয়েছেন আদালত। অস্ত্র মামলায় সন্দেহাতীতভাবে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় অভিযুক্ত জুয়েলকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, জুয়েল মিয়াকে অস্ত্র আইনে ১০ বছর ও মাদকের মামলায় ৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মামলায় অনেক ঘাটতি আছে। এ রায়ের বিরুদ্ধে আসামিপক্ষ উচ্চ আদালতে আপিল করবে।