পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গৌরীপুর-হোমনা সড়কের পাশে গাজীপুর এলাকায় গাজীপুর আজিজিয়া ফাজিল মাদ্রাসা অবস্থিত। বেলা একটায় দাখিল পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর শিক্ষার্থীরা বাড়িতে ফিরছিল। এর মধ্যে ওই স্থানে যানজটের সৃষ্টি হয়। যানজটে একদল তরুণ হঠাৎই সিয়ামের ওপর আক্রমণ চালান। তখন সড়কের ওপর তাকে ছুরি দিয়ে কোমরে আঘাত করে পালিয়ে যান তাঁরা। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় সিয়ামকে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে বেলা ১টা ৪০ মিনিটে ওই কিশোর মারা যায়।

এ ঘটনায় পুলিশ ব্রাহ্মণচর নয়াগাঁও সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার পাঁচ দাখিল পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে।

ঘটনার পরপরই পুলিশ হত্যাকারীদের আটক করতে অভিযানে নামে। পরে বাসা থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ব্রাহ্মণচর নয়াগাঁও সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষার্থী মুকুল আহমেদ, মাসুম বিল্লাল, সায়মুম মিয়া, মো. সাকিব হোসেন ও জুনায়েদ ইসলামকে আটক করা হয়।

তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুধীন চন্দ্র দাস বলেন, ওই কিশোরের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে। কারা হত্যা করেছে, তা উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে।

তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপসহকারী কমিউনিটি চিকিৎসা কর্মকর্তা আমেনা আক্তার বলেন, সিয়ামের কোমরে দুই জায়গায় ছুরিকাঘাতের চিহ্ন আছে। হাসপাতালে আনার ২৫ মিনিটের মধ্যে ওই কিশোর মারা যায়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন