প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মুন্সী সহিদ উদ্দীন মো. তারেক মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, তিনিসহ আরও কয়েক প্রকৌশলী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কার্যালয়ে কাজ করছিলেন। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে ৪০ থেকে ৫০ জন শিক্ষার্থী তাঁর কক্ষে প্রবেশ করেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন ছাত্রীও ছিলেন। তাঁরা এক প্রকৌশলীর বিষয়ে জানতে চান। সম্প্রতি ওই প্রকৌশলীর কথোপকথনের একটি অডিও ফেসবুকে ফাঁস হয়। এ ঘটনায় ওই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, জানতে চান শিক্ষার্থীরা। এর জবাবে প্রধান প্রকৌশলী শিক্ষার্থীদের বলেন, বিষয়টি তিনি জেনেছেন। এ ব্যাপারে উপাচার্যের সঙ্গে কথাও বলেছেন। আর ওই প্রকৌশলী ইতিমধ্যে পাঁচদিনের ছুটি নিয়েছেন। তিনি কার্যালয়ে নেই।

মুন্সী সহিদ উদ্দীন মো. তারেক বলেন, কিছুক্ষণ পর শিক্ষার্থীরা কক্ষের ভেতরে ভাঙচুর শুরু করেন। এ সময় একটি ফাইল শেলফ ও একটি কাচের দরজা ভাঙচুর করা হয়। তবে কোনো ফাইল নেননি তাঁরা।

প্রধান প্রকৌশলী আরও বলেন, বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের কাউকে তিনি চিনতে পারেননি। যাওয়ার সময় ভবনের অন্যান্য লোকজনকে বের করে নিচে গিয়ে প্রধান ফটকে তালা লাগিয়ে দেন তাঁরা। এতে তিনি কক্ষে আটকা পড়েন। ২০ মিনিট পর শিক্ষার্থীরা চলে গেলে তিনি ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর জাহাঙ্গীর আলম প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনার পরপরই প্রকৌশল ভবনে গিয়েছেন তিনি। ২০ জন শিক্ষার্থীর স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ উপাচার্যের কাছে দেওয়া হয়েছে।

তাতে বলা হয়েছে, একজন প্রকৌশলীর অডিও প্রকাশ পেয়েছে। এ জন্য তাঁকে স্থায়ী বহিষ্কার করতে হবে। বিষয়টি উপাচার্য তদন্ত করতে পারেন বলে জানান প্রক্টর।

প্রক্টর আরও বলেন, দুপুর ১২টার দিকে প্রধান প্রকৌশলীর কার্যালয়ের তালা খুলে দেওয়া হয়। যে অডিওর ভিত্তিতে প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে, সেখানে একজন নারীর কণ্ঠ আছে। কিন্তু সেই নারী কোনো অভিযোগ দেননি। এমনকি তাঁকে শনাক্তও করা যায়নি।