গত ২৫ জুলাই ওসমানীনগরের তাজপুর এলাকার একটি বাসার দ্বিতীয় তলার কক্ষ থেকে দরজা ভেঙে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী রফিকুল ইসলাম (৫০), তাঁর স্ত্রী হোসনে আরা বেগম, বড় ছেলে সাদিকুল ইসলাম (২৫), মেয়ে সামিরা ইসলাম (২০) ও ছোট ছেলে মাইকুল ইসলামকে (১৮) অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর রফিকুল ইসলাম ও মাইকুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক।

এ সময় হোসনে আরা বেগম, সাদিকুল ইসলাম ও সামিরা ইসলামকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। ঘটনার ১১ দিন পর হাসপাতালে সামিরা ইসলাম মারা যান। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর হোসনে আরা বেগম তাঁর ছেলে সাদিকুল ইসলামকে নিয়ে উপজেলার বড় ধিরারাই গ্রামে তাঁর বাবার বাড়িতে থাকতেন। কিছুদিন সেখানে থাকার পর তাঁর শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে হোসনে আরাকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি আজ ভোরে মারা যান।

ঘটনার পর গত ২৮ জুলাই রাতে রফিকুল ইসলামের শ্যালক দিলোয়ার আহমদ বাদী হয়ে ওসমানীনগর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেন। ২৩ আগস্ট সিলেটের তৎকালীন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন নিজ কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাবা, ছেলে ও মেয়ে ‘অক্সিজেন-স্বল্পতায়’ মারা গেছেন। মেডিকেল বোর্ডের দেওয়া প্রতিবেদনের তথ্য পর্যালোচনা করে মৃত্যুর এ কারণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছিলেন তিনি।