নগরের ভদ্রা এলাকায় আজ শনিবার সকাল থেকে যাত্রী থাকলেও বাসের সংখ্যা কমে গেছে। একই চিত্র শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামান বাস টার্মিনাল, নগরের রেলস্টেশন এলাকা এবং ঢাকা বাসস্ট্যান্ড এলাকাতেও। অনেক উপজেলা থেকেও বাস ছাড়েনি। এতে যাত্রীরা বিপাকে পড়েছেন।

নগরের ভদ্রা এলাকায় যাত্রী আলী আহসানের সঙ্গে কথা হয়। তাঁরা পাবনায় যাবেন। তিনি বলেন, বাসের সংখ্যা কমে গেছে। হয়তো ভাড়া বাড়লে আবার বাস বাড়বে।

নগরের শিরোইল এলাকার যাত্রী রায়হান আলী বলেন, ‘জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে অনেক কিছুর সম্পর্ক আছে। জানি না দেশের কী হবে। আজ থেকে পরিবহন দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়ে গেছে।’

একটি বাসের সহকারী মো. ইভান বলেন, যাত্রীদের অনেক চাপ। এদিকে অনেক পরিবহনের মালিক বাস নামাননি।

ভদ্রা বাস টিকিট কাউন্টারের ইনচার্জ মো. আসাদুজ্জামান মুন্না বলেন, বাস কমে গেছে। তবে তাঁরা কাউন্টার থেকে টিকিটের মূল্য বাড়াননি। বাসভাড়া বাড়াবে মালিক সমিতি। তাঁদের নির্দেশনা এলে ভাড়া বাড়ানো হবে।

রাজশাহী সড়ক পরিবহন গ্রুপের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মতিউল হক টিটু বলেন, রাজশাহী থেকে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় বাস চলে ৩০০টির মতো। আর দূরপাল্লার বাস চলে ১৫০টির মতো।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় রাজশাহীতে অনেক বাস রাস্তায় নামেনি। এতে যাত্রীরা কিছুটা ভোগান্তিতে পড়েছেন। তবে কাউন্টার থেকে বাসভাড়া বাড়ানো হয়নি। তিনি আরও বলেন, বিকেল পাঁচটার দিকে ঢাকায় পরিবহন মালিক সমিতির সভা আছে। সেখানে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে ভাড়া বৃদ্ধির সমন্বয় করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন