নবজাতককে ডোবায় ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ মায়ের বিরুদ্ধে

নরসিংদী জেলার মানচিত্র

নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় ২৪ দিন বয়সী এক নবজাতককে ডোবায় ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ এক মায়ের বিরুদ্ধে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে পলাশ উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের কেন্দুয়াব গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

হাসপাতালে নেওয়ার পর ওই নবজাতককে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। পুলিশ তানিয়া বেগম নামের ওই মাকে আটক করেছে।

নিহত নবজাতকের নাম ইউসুফ মিয়া। সে পলাশের ডাঙ্গা ইউনিয়নের কেন্দুয়াব গ্রামের মহসিন মিয়া ছেলে।

মহসিন মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘গর্ভধারণের পর থেকে তানিয়া সারাক্ষণ আতঙ্কে থাকত। ২৪ দিন আগে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পুত্রসন্তানের জন্ম দেয় সে। এরপরও আতঙ্কিত হতো। আজ বিকেলে সন্তানকে ডোবায় ফেলে এসে আমাদের জানায়, ডোবায় সাপ ফেলে এসেছে।’

মানসিক সমস্যার জন্য তানিয়া বেগমকে কয়েকবার চিকিৎসকের কাছে নিয়েছেন উল্লেখ করে মহসিন মিয়া বলেন, চিকিৎসক বলেছিলেন, সুস্থ হতে কিছুদিন সময় লাগবে। কিন্তু তাঁর স্ত্রী এমন কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলবেন, তা ভাবতে পারেননি।

পুলিশ ও প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, ওই ডোবা থেকে নবজাতককে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে যান স্বজনেরা। সেখানে চিকিৎসক মৃত শিশুটিকে ঘোষণা করেন। পরে খবর পেয়ে ওই বাড়ি থেকে তানিয়া বেগমকে আটক করে পুলিশ।

পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, ‘আমরা তানিয়া বেগমকে আটক করেছি। শুনেছি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছেন। ময়নাতদন্তের জন্য নবজাতকের লাশ নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’