পুলিশ বলছে, ওই ছাত্রীকে শহরতলির বটেশ্বর এলাকার গ্রিন লঙ্কা রেস্তোরাঁর সামনে থেকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। স্থানীয় ব্যক্তিরা বিষয়টি পুলিশকে জানালে তাঁকে উদ্ধার করা হয়। কলেজছাত্রীর কাছ থেকে কলেজের একটি রেজিস্ট্রেশন কার্ড পাওয়া গেছে। রেজিস্ট্রেশন কার্ড রাখার ফাইলে টিস্যুতে কলম দিয়ে লেখা, ‘ও আমাদের শিকার নয়। আমাদের গাড়িতে সিগন্যাল দিছে, এর লাগি আমরা পুরিরে (সিগন্যাল দেওয়ায় মেয়েকে) গাড়িত তুলতে বাধ্য হইছি। কোনো ভালো মানুষ পাইলে পৌঁছায় দিও।’ এমন চিরকুট পাওয়া যায়। পুলিশ মেয়েটিকে উদ্ধার করে সিএমএইচে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে। পরে বিকেলে তাঁকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

সিলেট শাহপরান (রহ.) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আনিসুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েছিলেন কলেজছাত্রী। তবে তাঁর কাছে মুঠোফোন কিংবা তেমন কিছুই ছিল না। এ জন্য সম্ভবত তাঁকে রেখে গেছে। কলেজছাত্রীর পরিবারের সদস্যদের ডেকে তাঁকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকের বরাত দিয়ে ওসি আরও বলেন, মেয়েটির জ্ঞান ফিরেছে। তিনি এখন শঙ্কামুক্ত।