নিহত ইতির বাবা সামছুল মণ্ডল বলেন, ‘মেয়েকে তাঁর স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়ি মিলে পিটিয়ে এবং গলা টিপে হত্যা করেছেন। মেয়ের বাম হাত ভাঙা, মাথা ফুলে গেছে আর গলায় কালো দাগ। আমি গরিব মানুষ, মেয়ে হত্যার বিচার চাই আমি। এ ঘটনায় থানায় মামলা করব।’

তবে এ অভিযোগের সঙ্গে একমত নন ইতি খাতুনের শাশুড়ি আনোয়ারা খাতুন। তিনি বলেন, ‘ব্যাটার (ছেলের) বউয়ের মিরকি (মৃগী) ব্যারাম (রোগ) ছিল। কাল (শনিবার) রাতে মিরকি ব্যারাম রোগেই মারা গেছে। পুলিশ আমার ছেলে, স্বামী, ভ্যান ও লাশ নিয়ে গেছে।’

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহসীন হোসাইন প্রথম আলোকে বলেন, রাতে খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধারের পর আজ সকালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত ব্যক্তির একটি হাত ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন ও ফোলা আছে। গলায় শ্বাসরোধের দাগ আছে। তাঁকে দিনের কোনো একভাগে শ্বাসরোধ ও পিটিয়ে হত্যা করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। তিনি আরও বলেন, ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গৃহবধূর স্বামী ও শ্বশুরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।