প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ এইচ এম খায়রুজ্জামান বলেন, ‘বাউলশিল্পী শফি মণ্ডলকে আজ যে সম্মাননা দেওয়া হলো, তিনি তাঁর চেয়ে অনেক বড়। গুণী এ শিল্পীকে সম্মাননা দেওয়ায় আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাই।’

রাজশাহীকে সাংস্কৃতিক চর্চার উর্বর ভূমি উল্লেখ করে সিটি মেয়র বলেন, ‘এখনকার সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বারবার বাধাগ্রস্ত হলেও যাঁরা এ চর্চাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তাঁদের সঙ্গে ছিলাম, আছি, আগামী দিনেও থাকব।’

সম্মাননা পাওয়ার পর অনুভূতি ব্যক্ত করে শফি মণ্ডল বলেন, ‘কিছুদিন হলো আমি বৈরাগ্য নিয়েছি। আমাকে যে সম্মাননা দেওয়া হলো, তাতে আমি অনেক আনন্দিত।’ এ সময় তিনি ভবা পাগলার ‘কে দেয় সম্মান, কে করে অপমান/ এমন ছলনা, কেন হে প্রভু’ গান গেয়ে শোনান।

এর আগে আজ বিকেলে প্রদীপ প্রজ্বালনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এর উদ্বোধন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির ওরফে সাত্তার। সভাপতিত্ব করেন কান্ত কবির মেলা রাজশাহীর সভাপতি অর্চনা প্রামাণিক।

অনুষ্ঠানে কবিকুঞ্জের সভাপতি অধ্যাপক রুহুল আমিন প্রামাণিক, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার ঘোষ, রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক ডা. এফ এম এ জাহিদ, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ রাজশাহী জেলার সভাপতি কল্পনা রায়, কান্ত কবির মেলার সাধারণ সম্পাদক মো. রোকনুজ্জামান, সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ ’৭১ রাজশাহী মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল উপস্থিত ছিলেন।

মেলার শেষ দিন আগামীকাল রোববার বিকেলে সংগীতানুষ্ঠানে গান করবেন ভারতের সুতপা গাঙ্গুলী, ঊষসী দে সেনগুপ্ত ও রাজশাহীর স্থানীয় শিল্পীরা।