চাকধালার বাসিন্দা শামসুল আলম বলেন, দিলদারকে হত্যাকারী দুর্বৃত্তরা দুই-তিনজন হতে পারে। তাঁকে পেছন থেকে ঘাড়ে কুপিয়ে হত্যার পর দুর্বৃত্তরা দ্রুত পালিয়ে গেছে। অন্ধকার হওয়ায় এলাকার লোকজন হত্যাকারীদের চিহ্নিত করতে পারেনি। দিলদারের বাড়ি পাশের ফজুরছড়াপাড়ায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, দিলদার মাদ্রাসায় দপ্তরির কাজ করলেও তাঁকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। সম্প্রতি মাদ্রাসায় দপ্তরি নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। দিলদারসহ তিনজন প্রার্থী রয়েছেন। নিয়োগ নিয়ে প্রার্থীদের মধ্যে সমস্যা থাকতে পারে।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহাজাহান বলেন, দিলদার মিয়াকে কেন, কে বা কারা হত্যা করেছে, এখনো জানা যায়নি। ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে। দ্রুত হত্যাকারীদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে।