কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, শুকুর আলীর বিরুদ্ধে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা ছিল। ওই মামলায় কুষ্টিয়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। ২০১৮ সালের ১৬ আগস্ট তাঁকে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়। গত ১৯ ডিসেম্বর শুকুর আলী রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন। কিন্তু রাষ্ট্রপতি ওই আসামির প্রাণভিক্ষার আবেদন নামঞ্জুর করেন। সব আইনি প্রক্রিয়া শেষে জেল কোড অনুসারে রোববার রাত ১০টা ১ মিনিটে ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার সুব্রত কুমার বালা। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ফাঁসি কার্যকর করার সময় গাজীপুরের সিভিল সার্জন মো. খায়রুজ্জামান, গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ূন কবির এবং সুব্রত কুমার বালা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ৮ জানুয়ারি কাশিমপুরের এই কারাগারে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় আরেক আসামির ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছিল।