দণ্ডপ্রাপ্ত ডিলার কবির হো‌সেন রামপাল ইউনিয়নের ধলাগাও এলাকার মেসার্স কবির হোসেন এন্টারপ্রাইজের মালিক। ইউএনও হোসাইন মোহাম্মদ আল জুনায়েদ বলেন, হতদরিদ্রদের জন্য খাদ্যসহায়তা কর্মসূচির আওতায় ১৫ টাকা কেজি দরে প্রত্যেক ভিজিএফ কার্ডধারীকে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়া হচ্ছিল। কয়েকটি বস্তা ওজন করে দেখা যায়, ৩০ কেজির দাম নিয়ে প্রতি বস্তায় ২-৩ কেজি করে চাল কম দেওয়া হচ্ছিল। সরকারি চাল বিক্রিতে অনিয়ম করার অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ওই ডিলারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সেই সঙ্গে তাঁর চাল বিক্রির ডিলারশিপও বাতিল করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কবির হোসেন ডিলারশিপ নেওয়ার পর থেকেই চাল বিক্রিতে অনিয়ম করে আসছিলেন। বিভিন্নভাবে তাঁকে ওজনে কম না দিতে অনুরোধ করা হয়। এরপরও নিজেকে সংশোধন করেননি তিনি।

ভিজিএফ কার্ডের সুবিধাভোগী আলেয়া বেগম (৪০)। তাঁর বাড়ি ইউনিয়নের রামপাল এলাকায়। এ পর্যন্ত এই ডিলারের কাছ থেকে তিনবার চাল কিনেছেন। আলেয়া বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ। কয়েকটা টাকা কমের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে এখান থেকে চাউল নিতাম। এখানে ওজন কম দিয়ে আমাদের ঠকানো হচ্ছিল। ভ্রাম্যমাণ আদালত না হলে এ বিষয়টি আমরা জানতাম না। যারা গরিব অসহায়ের চাউল চুরি করে, তাদেরকে কখনো এসব কাজের দায়িত্ব দেওয়া উচিত নয়।’

অভিযান প‌রিচালনার সময় আ‌রও উপ‌স্থিত ছি‌লেন রামপাল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাচ্চু শেখ, ইউপি সদসস্য মো. ফুলন, রামপাল ইউপির স‌চিব ক‌বির হো‌সেন প্রমুখ।