উত্তরের বিভাগীয় শহর রংপুরে তিন দিন ধরে খানিকটা বৈরী আবহাওয়া। দিনের বেলা গরম থাকলেও বিকেল থেকে শীত শীত অনুভূত হচ্ছে। বাসাবাড়িতে রাতে বৈদ্যুতিক পাখা বন্ধ রাখতে হচ্ছে। দিনের বেলা চালু থাকলেও থেমে থেমে পাখা বন্ধ করতে হয়।

শহরের ধাপ ইসলামবাগ এলাকার বাসিন্দা নজরুল ইসলাম সকালে প্রাতর্ভ্রমণে বের হয়েছেন। আরকে রোড এলাকায় তাঁর সঙ্গে কথা হলো। তিনি বললেন, ‘হঠাৎ ঠান্ডাটা পড়ল মনে হয়। রাতে ফ্যান কখনো বন্ধ, কখনো চালু থাকে। বন্ধ করলে গরম লাগে কিছুটা, আবার চালু করলে ঠান্ডা লাগে।’

আজকের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে আছে। সকাল আটটার দিকেও ভোরের আমেজ। এর মধ্যে চার থেকে পাঁচ দিন ধরে রাতে কুয়াশা ঝরছে। ভোর থেকে ঘন কুয়াশা। সেই সঙ্গে উত্তরের হিমালয় থেকে ধেয়ে আসা মৃদু ঠান্ডা বাতাস বইতে শুরু করেছে। মোটরসাইকেলচালকদের গায়ে গরম কাপড় জড়িয়ে গাড়ি চালাতে দেখা যায়।

আজ সকাল সাতটা থেকে আটটা পর্যন্ত গ্রামীণ পরিবেশের এলাকা শেখপাড়া, চব্বিশহাজারী ও খটখটিয়ায় ঘুরে দেখা গেছে, লোকজন গায়ে শীতের কাপড় জড়িয়ে সাইকেলে করে শহরে যাচ্ছেন কাজের সন্ধানে। খটখটিয়া এলাকায় একজন দোকান কর্মচারী নির্মল চন্দ্র মোহন্ত বলেন, ‘ধান কাটার সময় শীত পড়ে। এখনো ধান উঠতে অনেক সময় আছে। এবার মনে হয় একটু আগে শীত আসবে। রাতে কুয়াশা পড়ছে।’

রংপুর আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, রংপুরে আজ সকাল ছয়টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে সূর্য না ওঠা এবং হালকা বাতাস থাকায় শীত অনুভূত হচ্ছে। তবে এ অবস্থা থাকবে না। মেঘ কেটে গেলে আবার আগের অবস্থা ফিরে আসবে।