পুলিশ বলছে, সৌরভ ও তাঁর স্ত্রী আনিকা গত ১৬ জুলাই থেকে হোটেলের ওই কক্ষে অবস্থান করছিলেন। সৌরভের প্রথম স্ত্রী আছে। দ্বিতীয় স্ত্রী আনিকাকে বাড়িতে তোলা নিয়ে পরিবারের সঙ্গে সৌরভের মনোমালিন্য চলছিল। এ নিয়ে আনিকা ও সৌরভের মধ্যে ঝগড়া চলছিল।

আনিকার ভাষ্য, ঝগড়ার পর সৌরভ তাঁর স্ত্রীর ওড়না গলায় পেঁচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় আনিকা পাশের কক্ষে ছিলেন। পরে তিনি ওই কক্ষে এসে সৌরভকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলতে দেখে তাঁকে নিচে নামানোর চেষ্টা করেন। এ সময় ওড়না ছিঁড়ে নিচে পড়ে সৌরভ আহত হন।
পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে (৯৯৯) কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সৌরভকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মুনীর উল গিয়াস বলেন, এ ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। সৌরভের স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দ্বিতীয় স্ত্রীকে সৌরভের পরিবার মেনে নিচ্ছিল না বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসব নিয়ে পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সৌরভের পরিবারের সদস্যরা কুতুবদিয়া থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। তাঁরা পৌঁছালে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন