সোনাগাজী পৌর শহরের ডিমের বাজারে ৮ থেকে ১০টি ডিমের আড়ত আছে। পাইকারি এ বাজারে শুক্রবার লেয়ার মুরগির প্রতি হালি ডিম ৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। পাশাপাশি সাদা কক মুরগির ডিম বিক্রি হয়েছে প্রতি হালি ৪৮ টাকা দরে। অন্যদিকে শহরের মুদিদোকানগুলোতে লেয়ার মুরগির ডিম প্রতি হালি ৫২ টাকা, সাদা ডিম ৫০ টাকা ও হাঁসের ডিম ৬০ থেকে ৬৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে ডিম কিনতে আসা স্কুলশিক্ষক এমদাদুল হক প্রথম আলোকে বলেন, গত মঙ্গলবার তিনি প্রতি হালি ডিম কিনেছেন ৪৪ টাকায়। দুই দিনের ব্যবধানে আজ একই দোকানে সেই ডিম ৫০ টাকা হালি চাচ্ছে। শরীফুল ইসলাম নামের এক কর্মকর্তা বলেন, গত সপ্তাহে তিনি এক হালি হাঁসের ডিম কিনেছেন ৫০ টাকায়। তবে আজ দোকানে গিয়ে দেখেন, সেই ডিম একলাফে ৬৪ টাকা হয়ে গেছে।

তবে দাম বাড়লেও লাভ বাড়েনি বলে দাবি করেন খুচরা ও পাইকারি ডিম ব্যবসায়ীরা। ডিম ব্যবসায়ী কানাই লাল দাস প্রথম আলোকে বলেন, মুরগির খাদ্য, ওষুধ ও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন খরচ বেড়েছে। এ কারণে পাইকারি বাজারে ডিমের দাম বেড়েছে। আগে প্রতি হালি ডিমে দুই থেকে তিন টাকা লাভ হতো। লাভের পরিমাণ এখনো আগের মতোই আছে।

ডিমের আকস্মিক দাম বাড়ার ব্যাপারে সোনাগাজী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নুর নবী প্রথম আলোকে বলেন, বাজারের প্রায় সব কটি পণ্যের দাম বেড়েছে। তবে কিছু ব্যবসায়ী দ্রব্যমূল্য অতিরিক্ত বাড়িয়ে ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণা করতে পারেন। এই অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তিনি প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মনজুরুল হক প্রথম আলোকে বলেন, ডিমসহ সব ধরনের সবজি ও নিত্যপণ্যের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজারে তদারক করা হচ্ছে। তবে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, পাইকারি বাজারে ডিমসহ সবজির দাম বেড়েছে। কেনা দাম বেশি হওয়ায় বিক্রি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তাঁরা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন