আদালত সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন–পরবর্তী সহিসংতার একটি মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আজ দিন ধার্য ছিল। আসামিপক্ষের আইনজীবী মামলার ২৭ জন আসামির মধ্যে ২০ জনের হাজিরা দেন। আদালতে হাজিরার পর জাবেদ আলী ও মুজাহিদ নামের এমন দুই ব্যক্তিকে কাঠগড়ায় পাওয়া যায়, যাঁরা মামলার আসামি না। তখন আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু সাঈদ ওই দুই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরে জানা যায়, জাবেদ আলী তাঁর ছেলে তাইজুলের হয়ে হাজিরা দিতে এসেছেন। একই সঙ্গে মুজাহিদ তাঁর বড় ভাই জাকারিয়ার হয়ে হাজিরা দিতে এসেছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরে বিচারক ভুয়া আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ দেন এবং তাঁদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে হাজিরা দিতে না আসা তাইজুল ও জাকারিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

সংশ্লিষ্ট আদালতের পেশকার রাজু আহম্মেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামি না হয়েও আসামির পরিচয়ে আদালতে হাজির হওয়ার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া তাঁদের আইনজীবীকে এ ব্যাপারে কারণ দর্শানোর জন্য আদেশ দেওয়া হয়েছে।

আসামিপক্ষের আইনজীবী আখতার হোসেন বলেন, মামলার আসামি সংখ্যা অনেক। এটা অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি। তিনি কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলে এ বিষয়ে আদালতে জবাব দেবেন।