বাঁশখালীতে আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের পর বিক্ষোভ করে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন বিক্ষোভ করেন। এ সময় তাঁকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ ওঠে। তবে পুলিশ বলছে, জটলার সুযোগে ওই আসামি পালিয়ে গেছেন।
আজ সোমবার বিকেল চারটার দিকে উপজেলার খানখানাবাদ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কদম রসুল গ্রামের বটতলী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তির নাম জিয়াউল হক চৌধুরী। তিনি খানখানাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। তাঁর বিরুদ্ধে নাশকতার একটি মামলা রয়েছে।
পুলিশ জানায়, সোমবার বিকেলে বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাছির কয়েকজন কনস্টেবল নিয়ে জিয়াউল হক চৌধুরীকে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেন। এ সময় স্থানীয় নারী–পুরুষ ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে সৃষ্টি হওয়া জটলার ফাঁকে জিয়াউল হক চৌধুরী পালিয়ে যান।
স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্থানীয় লোকজন বিক্ষোভ করে আওয়ামী লীগ নেতাকে ছিনিয়ে নেন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. খালেদ সাইফুল্লাহ প্রথম আলোকে বলেন, ‘গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন অহেতুক জটলা সৃষ্টি করলে ওই সুযোগে আসামি পালিয়ে যান। তাঁকে গ্রেপ্তারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে। আশা করছি দ্রুত তাঁকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।’