মধ্যনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল হক প্রথম আলোকে বলেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ওই নারীর লাশের ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ জেলা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ, এলাকাবাসী ও নিহত নারীর স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের বাঙালভিটা গ্রামের আবেল সাংমা পেশায় কৃষক। তাঁর স্ত্রী রুজানি দাজেল গৃহিণী। তাঁদের চারটি সন্তান আছে। গতকাল রাতের খাবার হিসেবে রুজানি মোরগের মাংস রান্না করেন। কিন্তু রান্না করা মাংস সুস্বাদু না হওয়ায় তিনি স্ত্রীর ওপর রেগে যান। এ নিয়ে স্বামী–স্ত্রীর মধ্যে কথা–কাটাকাটি শুরু হলে রান্নাঘরে থাকা লোহার পাইপ দিয়ে আবেল স্ত্রীকে এলোপাতাড়ি পেটান। রুজানি ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে পড়েন। রাত ১০টার দিকে প্রতিবেশীরা স্থানীয় মহিষখলা বাজার থেকে এক পল্লিচিকিৎসককে নিয়ে এলে তিনি তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে প্রতিবেশীরা মধ্যনগর থানার ওসিকে মুঠোফোনে ঘটনাটি জানান। খবর পেয়ে আজ রোববার সকালে গিয়ে রুজানির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে স্বামী আবেল সাংমাকে আটক করে।

ওসি জাহিদুল হক বলেন, এ ঘটনায় নিহত নারীর ছোট ভাই আদম দাজেল বাদী হয়ে আবেল সাংমাকে আসামি করে আজ সন্ধ্যায় থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। ওই মামলায় আবেল সাংমাকে আটক করা হয়েছিল। তাঁকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন