নবীগঞ্জের লামাতাজপুর এলাকার বাসিন্দা সিরাজ মিয়া বলেন, নিম্নমানের পাথর ও বালু ব্যবহার করে এবং সিমেন্ট পরিমাণে কম দিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো ব্লক নির্মাণ করে তা বাঁধে স্থাপন করে আসছে, যা দেখলেই বোঝা যায়, কতটা নিম্নমানের কাজ।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, বাঁধে কোথাও ফাটল দেখা দিয়েছে, কোথাও কোথাও ব্লক উঠে মাটি বের হয়ে গেছে। আবার কোথাও বাঁধ দেবে গেছে। কোনো কোনো স্থানে মাটি না দিয়েই ব্লক বসিয়ে দেওয়া হয়েছে।

হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনের সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজ মিলাদ বলেন, বাঁধের কাজের মান নিয়ে নানা অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। বিষয়টি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলীকে বলেছেন।

অনিয়মের বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আরএফএলের পরিচালক রাসেল আহমদ বলেন, শুধু তাঁদের নয়, সবার করা ব্লকেই ফাটল দেখা দিয়েছে। নতুন মাটি দেবে যাওয়ার কারণে এমনটি হচ্ছে।

এএইচ ট্রেডিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা আরাফাত খান এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। ন্যাশনটেক কমিউনিকেশনসের পরিচালককে কল করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।

পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী শামীম হাসনাইন মাহমুদ বলেন, কিছু স্থানে ব্লক নির্মাণে মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় এএইচ ট্রেডিং করপোরেশনের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। নিম্নমানের পাথর ও বালু ব্যবহারের অভিযোগ এবং কিছু স্থানে নরম মাটি থাকার কারণে ব্লক দেবে গেছে বলে জেনেছেন। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দেবে যাওয়া ব্লক তুলে আবার বালু ও জিও টিউব দিয়ে ব্লক বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।