এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, হাইকুল ইসলাম ইউপি চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় ২০১৯ সালে পরিষদ কার্যালয়ে তাঁর নিজের কক্ষে একটি এসি লাগান। গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে হাইকুল ইসলাম পরাজিত হয়েছেন। ৩ হাজার ৪০১ ভোটের ব্যবধানে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী বজলুর রশিদ চেয়ারম্যান পদে জয় পেয়েছেন।

হাইকুল ইসলাম ৩ হাজার ৪০১ ভোটের ব্যবধানে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কাছে পরাজিত হয়েছেন।

আজ বেলা সাড়ে তিনটার দিকে তিন ব্যক্তি এসে এসি খুলে নেন। এরপর ভ্যানে করে এসি নিয়ে যাওয়া হয়। গ্রাম পুলিশ সামছুল ইসলাম বলেন, এসি তো চেয়ারম্যানের কক্ষে ছিল। এসি খুলে নিয়ে গেছে। এসি পরিষদের টাকায় কেনা নাকি চেয়ারম্যান তাঁর ব্যক্তিগত টাকায় কিনেছেন, সেটি জানি না।

ইউনিয়ন পরিষদের এসি খুলে নেওয়ার খবর শুনে উৎসুক লোকজন ইউপি কার্যালয়ে আসেন। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন বলেন, ইউনিয়ন পরিষদে লাগানো মানে এটি সরকারি টাকায় কেনা। তাহলে এই এসি কেন খুলে নিয়ে যাবে? ইউনিয়ন পরিষদ এলাকার বাসিন্দা রশিদা বেগম বলেন, পরিষদে কেউ কিছু দান করলেও কেউ তা নিয়ে যায় না। চেয়ারম্যান নির্বাচনে হেরে ইউপি কার্যালয় থেকে এসি খুলে নিয়ে গেছেন।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী হাইকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওই এসি আমার ব্যক্তিগত টাকায় কেনা। যার জন্য আমি খুলে নিয়ে এসেছি।’