ভুল করে পাটবোঝাই নৌকা ভারতে, ১১ দিন পর মুক্ত রাজশাহীর ৫ ব্যবসায়ী
পাট কিনে নৌকায় ফেরার পথে ভুল করে ভারতের সীমান্তে ঢুকে পড়েছিলেন রাজশাহীর বাঘার পাঁচ ব্যবসায়ী। পাটবোঝাই নৌকাসহ তাঁদের আটক করেছিল ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। ১১ দিন পর গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁদের বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে তাঁদের নৌকা, পাট ও দুটি সাইকেল এখনো ভারতে রয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে ভারতের সাগরপাড়া সীমান্তের বিএসএফ ক্যাম্প থেকে আলাইপুর বিজিবি ক্যাম্পের মাধ্যমে ওই ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে ফেরেন। আলাইপুর বিজিবি ক্যাম্পসংলগ্ন পদ্মা নদীর তীরে তাঁদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ফিরে আসা পাঁচজন হলেন বাঘা উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের আলাইপুর মধ্যপাড়া গ্রামের কলেজছাত্র মোশাররফ হোসেন (২২), শাহাবুল আলী (৪২), বাবর আলী (৪৫), নৌকার মাঝি আসাদুল ইসলাম (৪১) ও সাইফুল ইসলাম (৫৮)।
স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে আটটার দিকে কুষ্টিয়ার বাংলাবাজার চর থেকে পাট কিনে নৌকায় করে বাঘায় ফিরছিলেন তাঁরা। পদ্মা নদীর তীব্র স্রোতে একপর্যায়ে তাঁরা দিকভ্রান্ত হয়ে পড়েন। পরে নৌকাটি সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের প্রায় দুই থেকে আড়াই কিলোমিটার ভেতরে চলে যায়। সেখানে বিএসএফের একটি টহল দল তাঁদের আটক করে। আটকের পর পরিবারের সদস্যরা আলাইপুর বিজিবি ক্যাম্পে যোগাযোগ করেন। পরে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক হয়। বৈঠকে বিএসএফের পক্ষ থেকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া তাঁদের ফেরত দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানানো হয়।
পাঁচজনকে দেশে ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নেন রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ। তিনি রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় তাঁদের ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।
মাঝি আসাদুল ইসলামের ভাই সাহারুল ইসলাম বলেন, তাঁর ভাইসহ পাঁচজনকে ভারতের রানীনগর থানায় রাখা হয়েছিল। প্রথমে বিএসএফ সদস্যরা তাঁদের বিষয়ে ভুল বুঝেছিলেন। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি জানতে পারেন। পাঁচ ব্যবসায়ী ভুল করে সীমান্তে ঢুকে পড়েছেন—এটি নিশ্চিত হওয়ার পর তাঁদের সঙ্গে কোনো অসম্মানজনক আচরণ করা হয়নি। বরং যত্নে রাখা হয়েছিল।
পাঁচজনকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য আবু সাঈদ। তিনি বলেন, পাঁচ ব্যবসায়ীর নৌকা, পাট ও দুটি সাইকেল এখনো ভারতে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এসব মালামাল যেন তাঁদের কাছে ফেরত দেওয়া হয়, সে জন্য তিনি ভারতীয় কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।
পাঁচজনকে দেশে ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নেন রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ। তিনি রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় তাঁদের ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।
মাঝি আসাদুল ইসলামের ভাই সাহারুল ইসলাম বলেন, তাঁর ভাইসহ পাঁচজনকে ভারতের রানীনগর থানায় রাখা হয়েছিল। প্রথমে বিএসএফ সদস্যরা তাঁদের বিষয়ে ভুল বুঝেছিলেন। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি জানতে পারেন। পাঁচ ব্যবসায়ী ভুল করে সীমান্তে ঢুকে পড়েছেন—এটি নিশ্চিত হওয়ার পর তাঁদের সঙ্গে কোনো অসম্মানজনক আচরণ করা হয়নি। বরং যত্নে রাখা হয়েছিল।
পাঁচজনকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য আবু সাঈদ। তিনি বলেন, পাঁচ ব্যবসায়ীর নৌকা, পাট ও দুটি সাইকেল এখনো ভারতে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এসব মালামাল যেন তাঁদের কাছে ফেরত দেওয়া হয়, সে জন্য তিনি ভারতীয় কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।