দাবিগুলো হলো অবিলম্বে নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ও রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিনিধি নিশ্চিত করে পূর্ণাঙ্গভাবে সিনেট কার্যকর করা; প্রয়োজনীয় আবাসিক হল নির্মাণ করা, বৈধ প্রক্রিয়ায় মেধার ভিত্তিতে সিট বরাদ্দের ব্যবস্থা করা ও হলের সিট-সংক্রান্ত বিষয়াবলি অনলাইনে হালনাগাদ করা; হলে রাজনৈতিক ব্লকের নামে দখলদারিত্ব নিষিদ্ধ করে ভীতিমুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ অবস্থান ও পড়ালেখার পরিবেশ নিশ্চিত করা; হলের ডাইনিংয়ের ক্যানটিনগুলোয় খাবারের পুষ্টিগুণ নিশ্চিত করা, প্রয়োজনে ভর্তুকি দিয়ে হলেও খাবারের মূল্য কমানো; কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার সার্বক্ষণিক খোলা রাখা, গ্রন্থাগারে পাঠকক্ষের সংকট নিরসন করা, পর্যাপ্ত বই ও কেন্দ্রীয়ভাবে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের ব্যবস্থা করা; বাসের রুট বৃদ্ধিসহ পরিবহন দপ্তরে পর্যাপ্ত বাস যুক্ত করা।

অন্য দাবিগুলো হলো বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে সার্বক্ষণিক চিকিৎসকের অবস্থান, প্রয়োজনীয় মাত্রায় উন্নত মানের ওষুধ সংরক্ষণ, রোগনির্ণয়, সর্বাধুনিক পরীক্ষণ যন্ত্রপাতি, ব্যবস্থাপত্র ও চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা রাখা; বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা খাতে বাজেট বৃদ্ধি এবং গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি সম্মানীসহ গবেষণা সহকারী হিসেবে শিক্ষার্থীদের কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি করা; পূর্ণাঙ্গ টিএসসি নির্মাণ করা ও নিয়মিত সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনার গতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করা; ক্যাম্পাসে জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা, ক্যাম্পাসকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাসহ ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা; হল, প্রশাসন ও বিভাগসমূহে নামে–বেনামে আদায়কৃত সব ধরনের অযৌক্তিক ফি বাতিল করা, শিক্ষাসনদ ও নম্বরপত্র উত্তোলন ও সংশোধনে বিড়ম্বনা নিরসনে সব কার্যক্রম অনলাইনের আওতায় আনা; ক্যাম্পাসে চুরি, ছিনতাই, শিক্ষার্থী নির্যাতন এবং যৌন হয়রানি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা, ছাত্রীহলসমূহের সান্ধ্য আইন বাতিল করা এবং বিভাগসমূহে চলমান বাণিজ্যিক সান্ধ্য কোর্স বাতিল করা; বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষার উত্তরপত্রে রোল নম্বরের পরিবর্তে মাধ্যমিক পরীক্ষার মতো কোড সিস্টেম চালু করে উত্তরপত্র মূল্যায়নের ব্যবস্থা করা; বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় চলমান পোষ্য কোটা বাতিল করা; কিছুদিন আগে নিহত হওয়া শাহরিয়ারের ময়নাতদন্ত করে মৃত্যুরহস্য উদ্‌ঘাটন করা; শাহরিয়ারের চিকিৎসায় অবহেলা এবং রামেকে রাবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

সংবাদ সম্মেলনে হবিবুর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগ, রাবি শাখা ছাত্রদল, ছাত্র অধিকার পরিষদ, নাগরিক ছাত্র ঐক্য ও ছাত্র ফেডারেশনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।