আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২১ মার্চ বিকেলে লিয়াকত আলী ১০ বছরের এক শিশুকে ফল খাওয়ানোর কথা বলে নিজের ঘরে ডেকে নেন। এরপর তিনি ওই শিশুকে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি কাউকে বললে মেরে ফেলার ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই শিশুকে ঘর থেকে বের করে দেন তিনি। পরদিন শিশুটি তার পরিবারকে বিষয়টি জানায়। পরে ওই শিশুর দাদা ২০১৫ সালের ২ এপ্রিল নাগরপুর থানায় মামলা করেন।

টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) মোহাম্মদ আবদুল কুদ্দুস বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নাগরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবদুল হক তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ১৩ জুলাই লিয়াকত আলীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, চিকিৎসকসহ মোট আটজন আদালতে সাক্ষ্য দেন। রায় ঘোষণার পর লিয়াকত আলীকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন