কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া ওই ৯ আসামি হলেন বদির চার ভাই আবদুস শুক্কুর, শফিকুল ইসলাম, আমিনুর রহমান, ফয়সাল রহমান এবং চাচাতো ভাই মো. আলম, খালাতো ভাই মং মং সিং, ফুফাতো ভাই কামরুল হাসান, সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য রেজাউল করিম ও টেকনাফ পৌরসভার অলিয়াবাদ গ্রামের মারুফ বিন খলিল।

দেড় বছরের বেশি সময় কারাবন্দী থাকার পর কয়েক মাস আগে টেকনাফের আলোচিত মাদক মামলার ১০১ আসামির সবাই জামিনে মুক্ত ছিলেন। ২৩ নভেম্বর এ মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ হলে আসামিরা ১৫ নভেম্বর থেকে আত্মগোপন করেন। তখন আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ২৩ নভেম্বর রায়ে ১০১ ইয়াবা ব্যবসায়ীকে ১ বছর ৬ মাস করে কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেন আদালত।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জরিমানার ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করে কারাগার থেকে মুক্তি পান বদির চার ভাইসহ ৯ জন। এর আগে দুই দফায় আরও ১৭ আসামি জরিমানার টাকা পরিশোধ করে বাড়ি ফিরে গেছেন।

কক্সবাজার আদালতের সরকারি কৌঁসুলি ফরিদুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে মাদক মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আরও ৩৬ আসামি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেল সুপার (তত্ত্বাবধায়ক) মো. শাহ আলম খান প্রথম আলোকে বলেন, কারাগারে পাঠানো ৩৬ আসামির সাজার মেয়াদ দেড় বছর অতিক্রান্ত হয়েছে কি না, তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জরিমানার টাকা আদায় সাপেক্ষে তাঁদের কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হবে। এর আগে তিন দফায় এ মামলার ২৬ আসামিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন টেকনাফের বাসিন্দা মোজাম্মেল হক, মো. দিদার, মো. শাহেদ রহমান, শাহেদ কামাল, হাবিবুর রহমান, ইউপি সদস্য শামসুল আলম, হোসেন আলী, জাফর আহমদ, মো. ছিদ্দিক, নুরুল আমিন, নুর আলম, মৌলভি বশির আহমদ, নুরুল কবির, মো. ইউনুছ, ইউপি সদস্য জামাল আহমদ, আবু তাহের, রমজান আলী, মো. ইসমাইল, আবদুল হামিদ, রুস্তম আলী, মো. হোসাইন, রবিউল আলম, মঞ্জুর আলী, হামিদ হোসেন, রহিম উল্লাহ, নুরুল আবছার, নুরুল বশর, মো. মিরাজ, নুর মোহাম্মদ, ছৈয়দ হোসেন, নুরুল আমিন, জামাল হোসেন, আবদুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান, নুরুল কবির মাঝি ও ছৈয়দ হোসেন।