মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন আলী আকবর ওরফে হৃদয়, মেহেদী হাসান ওরফে ইবু, সোহেল, আবদুল্লাহ ও আবিদ হাসান ওরফে মোহন। তাঁরা সবাই খালিশপুরের বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় আলী আকবর ও মেহেদী হাসান আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অপর তিনজন পলাতক রয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফরিদ আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ধর্ষণের শিকার কিশোরীর পরিবার অত্যন্ত গরিব। মামলা চালাতে না পেরে বিচার পাওয়ার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিল তারা। দীর্ঘদিন পড়ে থাকা মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করে রায় ঘোষণার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মামলার সব আসামির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন বিচারক।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী পরিবারটি খালিশপুরের একটি বিহারি কলোনিতে থাকে। ২০১১ সালের ২৩ মার্চ সন্ধ্যা সাতটার দিকে ওই কিশোরী কলোনির একটি টিউবওয়েলে পানি আনতে যায়। এ সময় কলোনির বাসিন্দা আবিদ হাসান পাশের দোকান থেকে কিছু কিনে দেওয়ার কথা বলে তাকে কলোনির বাইরে নিয়ে যান।

সেখান থেকে আলী আকবর তাকে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে নিয়ে যান চরেরহাট এলাকার একটা কলাবাগানে। সেখানে রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত পাঁচজন মিলে ওই কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে কিশোরীটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে বাড়ির কাছে রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যান তাঁরা।

এ ঘটনায় পরদিন ২৪ মার্চ মেয়েটির মা বাদী হয়ে খালিশপুর থানায় পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন। ওই বছরের ২০ জুন খালিশপুর থানার উপপরিদর্শক কাজী রেজাউল করিম ওই পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

আসামি আলী আকবর ও আবিদ হাসান আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন জানিয়ে আইনজীবী ফরিদ আহমেদ বলেন, মামলায় মোট ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১২ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন