অ্যাম্বুলেন্সে পাচার হচ্ছিল বিদেশি মদ, চালকসহ গ্রেপ্তার ২
ফেনীর পরশুরামে অ্যাম্বুলেন্সে করে মাদক পাচারের অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় অ্যাম্বুলেন্সের পাঁচটি কার্টনে থাকা ১১৭ বোতল মদ জব্দ করা হয়। আজ শনিবার সকালে উপজেলার আঞ্চলিক সড়কের সমিতি রোড থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন অ্যাম্বুলেন্সচালক জসিম উদ্দিন (৫১) ও তাঁর সহযোগী মিনহাজুর রহমান (২১)। তাঁদের মধ্যে জসিম উদ্দিন ফেনীর পরশুরাম উপজেলার পশ্চিম সাহেব নগর গ্রামের চৌধুরী বাড়ির আশরাফ আলীর ছেলে ও মিনহাজুর রহমান পরশুরাম পৌরসভার দক্ষিণ কোলাপাড়া এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ জানায়, অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় মদ পাচার করা হচ্ছে—এমন খবর পেয়ে তারা অভিযান চালায়। পরে ওই সড়কের একটি অ্যাম্বুলেন্স আটক করে তল্লাশি চালানো হয়। এসব মদের আনুমানিক বাজারমূল্য ২ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। অ্যাম্বুলেন্সটি ‘পরশুরাম ক্লিনিক’ নামের একটি ক্লিনিকের। এতে ‘পরশুরাম ক্লিনিক অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস’ লেখা ছিল।
মাদক উদ্ধারের বিষয়ে জানতে চাইলে পরশুরাম ক্লিনিকের কর্ণধার নবী চৌধুরী বলেন, ‘সকালে উপজেলার হাসপাতাল রোডের ‘গীতা মেডিসিন শপ’ নামের একটি ফার্মেসির মালিক অ্যাম্বুলেন্সচালকের কাছে ‘কাচের জিনিস’ বলে কয়েকটি কার্টন ফেনী পৌঁছে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। পরে এগুলো ফেনীর দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সড়কে অ্যাম্বুলেন্সে আটক করা হয়। ঘটনার পর থেকে গীতা মেডিসিন শপ বন্ধ রয়েছে।
পরশুরাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, অ্যাম্বুলেন্সে করে অভিনব কৌশলে মাদক পাচারের সময় আটক দুজনসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। এর মধ্যে অজ্ঞাত আসামি দুজন, গ্রেপ্তার দুজন ও আরেকজন ঢাকার একজন ব্যক্তি। গ্রেপ্তার আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের ধরতে অভিযান চলছে।