রাজশাহী বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার আহম্মেদপুর চক তেবাড়িয়া এলাকার আনিছুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতে দেশি ও পরিযায়ী পাখি গোপনে বিক্রি করে আসছিলেন। খবর পেয়ে বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মীরা আজ দুপুরে তাঁর বাড়িতে ক্রেতা সেজে যান। এ সময় তাঁরা আনিছুর রহমানের বাড়ি থেকে বিক্রির জন্য রাখা ২টি কালিম, ১৪টি পাতি সরালি, ১টি ময়না, ১টি টিয়া পাখিসহ দেশি ও পরিযায়ী প্রজাতির ৩০টি পাখি উদ্ধার করেন।

পরে পাখিগুলো মুক্ত করে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় আনিছুর রহমানকে আটক করে নাটোর সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জোবায়ের হাবিবের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। অবৈধভাবে পাখি বেচাকেনা ও সংরক্ষণ করার অপরাধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাঁকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। তিনি তৎক্ষণাৎ জরিমানা পরিশোধ করে ছাড়া পান।

রাজশাহী বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বন্য প্রাণী পরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবির বলেন, গোপন খবরের ভিত্তিতে তাঁরা পাখি ক্রেতা সেজে আনিছুর রহমানকে আটক করেন এবং তাঁর হেফাজতে থাকা ৩০টি পাখি উদ্ধার করেন। পরে পাখিগুলো মুক্ত করে দেওয়া হয়।

এ সময় পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপপরিদর্শক আলী আকবর, বন বিভাগের ফরেস্টার আশরাফুল ইসলাম, রাবি শাখার ডিপ ইকোলজি অ্যান্ড রেসকিউ ফাউন্ডেশনের সদস্য নাজমুল হোসেন, মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশনের দপ্তর সম্পাদক ফজলে রাব্বী উপস্থিত ছিলেন।