default-image

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, মাদক নির্মূলে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তবু পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে মাদক আসছে। ভারত সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অনেক ফেনসিডিল কারখানা সরিয়ে নিয়েছে। এরপরও ফেনসিডিল পাচার হয়ে আসছে। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের রক্তে নাফ নদী রঞ্জিত হয়েছে। পর্যটন জেলা কক্সবাজারে ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন বিশ্বজুড়ে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ হিসেবে ভূয়সী প্রশংসা কুড়িয়েছেন। রোহিঙ্গারা যাতে ইয়াবা পাচারের মতো অপরাধে না জড়ায়, সরকার সেই প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইয়াবা দমনে কঠিন থেকে কঠিনতর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

সমাবেশে মাদক ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা ৬৫ জন মাদক ব্যবসায়ীর উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা জঙ্গি, জলদস্যু ও সর্বহারাদের সরকার পুনর্বাসন করেছে। অনুকম্পা দেখিয়েছে। তবে আবার যদি কেউ সেই পথে পা বাড়ান, তবে কী পরিণতি হবে জানি না।

default-image

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, ইয়াবা সেবনকারী ব্যক্তি দুই বছরের মধ্যে কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন। ফেনসিডিল খেলে কিডনি বিকল হতে পারে। মাদক ছাড়ুন, দেশকে ভালোবাসুন। চিকিৎসা নিন। সুস্থ থাকুন। লজ্জার কিছু নেই। দেশে ৮০ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত।

সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বগুড়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবর রহমান, বগুড়া-১ আসনের সংসদ সদস্য সাহাদারা মান্নান, বগুড়া-৬ আসনের রেজাউল করিম বাবলু, বগুড়ার জেলা প্রশাসক জিয়াউল হক, পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদৎ আলম প্রমুখ বক্তব্য দেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন