পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সন্দেহজনক গতিবিধির কারণে ২০২১ সালের জুলাইয়ে পদ্মা সেতুর শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্ত থেকে ভারতের পশ্চিম বিহারের সোনার গ্রামের মরণ বাইনের ছেলে তারেক বাইনকে আটক করা হয়। পরে ৮ জুলাই পুলিশের করা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

গোপালগঞ্জ জেল সুপার মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, শরীয়তপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে তারেক বাইনকে ২০২১ সালের ৯ জুলাই শরীয়তপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি তাঁকে গোপালগঞ্জ জেলা কারাগারে আনা হয়। গতকাল রাত আটটার দিকে কারাগারে হঠাৎ তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে গোপালগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

পুলিশ জানায়, তারেক বাইনের লাশ গোপালগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ভারতীয় হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।