আহত ফরিদ উদ্দিন অভিযোগ করেন, তাঁরা কয়েকজন গতকাল পাকুন্দিয়ায় একজনের জানাজায় যান। সন্ধ্যার পর তাঁর ছোট ভাই উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক একরাম হোসেনসহ পাকুন্দিয়া বাজারে আসেন তাঁরা। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ছাত্রলীগের পদবঞ্চিত নেতা বিল্লাল হোসেন ওরফে পাপ্পু, উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি আরমিন মিয়া, সাবেক আহ্বায়ক একলাস উদ্দিন, ছাত্রলীগ নেতা সাকিবুল হাসান মুন্নাসহ ২০ থেকে ২৫ জন তাঁদের ওপর হামলা করে। এ সময় আত্মরক্ষায় তিনি পাকুন্দিয়া বাজারের একটি ফার্মেসিতে আশ্রয় নেন। পরে হামলাকারী ব্যক্তিরা দোকানের সাঁটার ভেঙে তাঁর ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালান।

পাকুন্দিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নাহিদ হাসান বলেন, পূর্ববিরোধকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে পদবঞ্চিত নেতা বিল্লাল হোসেন হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, কে বা কারা ফরিদের ওপর হামলা করেছে, তাঁরা এ বিষয়ে কিছুই জানেন না। তাঁরা এ হামলার সঙ্গে জড়িত নন।

২০২২ সালের ৫ অক্টোবর ১৯ সদস্যবিশিষ্ট পাকুন্দিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের আংশিক কমিটি ঘোষণা করে জেলা কমিটি। ওই কমিটিতে কাঙ্ক্ষিত পদ না পেয়ে ৬ অক্টোবর রাতে নিজবাড়িতে দুধ দিয়ে গোসল করেন ওই কমিটির সহসভাপতি ছাত্রলীগ নেতা মো. আরমিন আহমেদ। এর পর থেকে কমিটি বাতিলের দাবিতে ঝাড়ুমিছিল, মশালমিছিল, সড়ক অবরোধসহ লাগাতার কর্মসূচি পালন করেন পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা। এ নিয়ে কয়েকবার হামলার ঘটনাও ঘটে।