নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যানটিনে গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩–এ।
আজ সোমবার সকাল ছয়টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কাউসার (৩০) নামের ওই ব্যক্তি মারা যান। তিনি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার নাজিরহাট এলাকার বাউরিয়া গ্রামের মো. জামাল মিয়ার ছেলে।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান প্রথম আলোকে বলেন, গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় কাউসার হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে সকালে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর শরীরের ৬০ শতাংশ ও শ্বাসনালি পুড়ে গিয়েছিল। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি থাকা তিনজনের মধ্যে একজনের অবস্থা সংকটাপন্ন। অপর একজনের অবস্থা ভালো। আরেকজন নিজ দায়িত্বে ছুটি নিয়ে হাসপাতাল ছেড়ে চলে গেছেন।
কাউসারের চাচাতো ভাই মো. ফয়সাল প্রথম আলোকে তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে কাউসার বিদ্যুৎকেন্দ্রে কোন পদে কর্মরত ছিলেন, সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি।
এর আগে গত শনিবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মো. আমির (২৫)। তাঁর শরীরের প্রায় ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। এ ছাড়া গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মারা যান শংকর গোমেজ (২৫)। তিনি বিদ্যুৎকেন্দ্রটির শেফ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
গত বুধবার দুপুরে সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের মেঘনা ঘাট এলাকায় জেরা মেঘনা ঘাট ৭১৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যানটিনে গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মকর্তাসহ ১২ জন দগ্ধ হন। পরে তাঁদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।