জুড়ী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় মোট ছয়টি ইউনিয়ন। কয়েক বছর আগে নির্বাচনসংক্রান্ত মামলার কারণে ফুলতলা ইউপির নির্বাচন পিছিয়ে পড়ে। এর পর থেকে অন্য পাঁচটির পরে ফুলতলা ইউপির নির্বাচন হচ্ছে। ১ নভেম্বর নির্বাচন কমিশন ওই ইউপির নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১ ডিসেম্বর। নির্বাচন হবে ২৯ ডিসেম্বর। এদিকে এই ইউপির ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবদুল মঈনের মৃত্যুতে ৭ নভেম্বর সেখানে উপনির্বাচন হয়। নির্বাচনে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে জলিল মিয়া ৬৩৭ ভোট পেয়ে জয়ী হন।

স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে গিয়ে ইউপি সদস্য হিসেবে শপথ নেন জলিল মিয়া। তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান ভারপ্রাপ্ত ইউএনও রতন কুমার অধিকারী। এ সময় জুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেনসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। শপথ গ্রহণ শেষে ইউপি সদস্য জলিল ইউএনও কার্যালয়ের বিপরীত পাশে অবস্থিত নির্বাচন কার্যালয়ে গিয়ে ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য মনোনয়নপত্র কেনেন।

মনোনয়নপত্র কেনার পর ইউপি সদস্য জলিল মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘ইলেকশনে জিতছি ঠিকই। কিন্তু মানুষের খেদমতের সময় পাইলাম না। আবারও ইলেকশন করমু। আশা করি জিতমু। জিতলে, বাঁইচে থাকলে পাঁচ বছর দায়িত্ব চালাইয়া যাইমু।’

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান বলেন, ফুলতলা ইউপির নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র কিনে নিচ্ছেন। তবে এখনো কোনো মনোনয়নপত্র জমা পড়েনি। ইউপি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখের আগপর্যন্ত ইউপি সদস্য জলিল মিয়া দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

ভারপ্রাপ্ত ইউএনও রতন কুমার অধিকারী বলেন, ‘ইউপি সদস্য জলিল মিয়া অল্প কয়েক দিন দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। এ সময়ে তিনি যেন জনগণের পাশে থাকেন, সেটাই তাঁকে বলেছি।’