নিহত আয়না খাতুন ঝিকরগাছা কালীমন্দির এলাকার বিল্লাল হোসেনের স্ত্রী ও মসলেম আলীর মেয়ে।

কালীমন্দির এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, শুক্রবার রাত নয়টার দিকে আয়না খাতুনকে কালীমন্দিরের পাশে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। এর পর থেকে তাঁর আর খোঁজ পাওয়া যায়নি।

পরের দিন সকালে তাঁর লাশ দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
এ বিষয়ে জানার জন্য ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুমন ভক্তের দাপ্তরিক মুঠোফোন নম্বরের একাধিকবার যোগাযোগ করলে তিনি ফোন ধরেননি। তবে তিনি এ বিষয়ে অন্য সাংবাদিকদের বলেন, আয়না খাতুন মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। তাঁর শরীরের কোথাও আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি খেতের আল দিয়ে হাঁটার সময়ে পড়ে যান। তীব্র শীতে স্ট্রোকের কারণে তাঁর মৃত্যু হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে এলে বিস্তারিত বলা যাবে।