হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শেখ হাবিবা প্রথম আলোকে বলেন, তিনি উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে একটি কাজে এসেছিলেন। এ সময় তাঁকে বিনা কারণে এনামুল হক বেধড়ক মারধর করেন। এর প্রতিবাদে তিনি সেখানে অনশনে বসে পড়েন। বিকেলে আবারও এনামুল হকের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক এসে টেনেহিঁচড়ে তাঁকে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে নিয়ে আটকে রাখেন। এ সময় তাঁর মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে ভেঙে ফেলা হয়। পরে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করেন।

ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন বলেন, মেয়েটিকে মাটিতে ফেলে মারধর করা হয়েছে।

তবে অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন এনামুল হক। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, মহিলা লীগের নেত্রীদের মধ্যে ঝামেলা হচ্ছিল। তাঁদের ছাড়াতে গিয়ে তিনি নিজেও আহত হয়েছেন। রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ আনা হচ্ছে।

ঘটনার সময় উপজেলা পরিষদে একটি মিটিংয়ে ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিন। তিনি বলেন, ওই মেয়েটির সমস্যা আছে। তাঁর বিষয়ে তিনি কোনো কথা বলতে চান না। তিনি দোতলায় একটি মিটিংয়ে ছিলেন। নিচে নেমে সোজা গাড়িতে উঠে চলে এসেছেন।

এ বিষয়ে মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিম বাদশা প্রথম আলোকে বলেন, এটা দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি। আরেকজন নারীর সঙ্গে হাবিবার মারামারি হয়েছে। হাবিবা এনামুল হকের হাতে কামড় দিয়েছেন। তিনিও আহত হয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ দিতে আসেননি।