এর আগে ৮ নভেম্বর আবদুল গণির মালিকানাধীন ‘এফবি মায়ের দোয়া-১’ নামক ট্রলারে ২৪ কেজি ৯০০ গ্রাম ও ৩০ কেজি ৩০০ গ্রামের দুটি পোপা মাছ ধরা পড়ে ছিল। গত কয়েক বছরে টেকনাফ উপজেলার মধ্যে আবদুল গণির ট্রলারে চারবার পাঁচটি বড় পোপা মাছ ধরা পড়ল।

ট্রলারমালিক আবদুল গণি বলেন, ‘গতকাল শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে আমিসহ তিন জেলে সাগরের মাছ ধরার উদ্দেশে রওনা হই। সেন্ট মার্টিনের দিয়ার মাথার নয় বান এলাকায় ট্রলারটি নোঙর করি এবং রাতে জাল ফেলি। আজ শনিবার সকালে জাল টেনে তুলতেই একটি পোপা মাছ ও একটি মাঝারি আকারের লাল কোরাল দেখতে পাই। এরপর ট্রলার নিয়ে সেন্ট মার্টিন জেটির ফিশারিঘাটে নিয়ে আসি।’

আবদুল গণি আজ দুপুরে বলেন, তিনি পোপা মাছটির দাম চেয়েছেন সাড়ে ৫ লাখ টাকা। স্থানীয় এক ব্যবসায়ী ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় মাছটি কিনতে চেয়েছেন। তবে বেশি দামের আশায় মাছটি বিক্রি করেননি। মাছটি বরফ দিয়ে রাখা হয়েছে। ভালো দাম না পেলে টেকনাফ বা কক্সবাজারে পাঠাবেন।

স্থানীয়ভাবে এই মাছ কালা পোপা নামে পরিচিত। এই মাছের পটকা থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুরে রপ্তানি হয়। এর বায়ুথলি দিয়ে বিশেষ ধরনের সার্জিক্যাল সুতা তৈরি করা হয়। এ জন্য পোপা মাছের এমন চড়া দাম।

টেকনাফ উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, পোপা মাছের বায়ুথলি দিয়ে বিশেষ ধরনের সার্জিক্যাল সুতা তৈরি করা যায় বলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই মাছের চাহিদা আছে।